ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
BY  অনলাইন ডেস্ক ১৪ অক্টোবর ২০১৮, ২২:৪৫ | আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৮, ২২:৪৯ | অনলাইন সংস্করণ

প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবসায়িক পরিকল্পনার প্রতিযোগিতা বাংলালিংক ইনোভেটরসের দ্বিতীয় আসরের গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার রাজধানীর রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে আয়োজিত এই গ্রান্ড ফিনালেতে এবারের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

বিশেষ এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

এবারের সেরা প্রতিযোগীরা বাস্তব জীবনের বিভিন্ন সমস্যার ডিজিটাল সমাধান প্রদানের মাধ্যমে ফাইনালে স্থান করে নেয়। প্রতিযোগীরা গ্রুমিং, বুট ক্যাম্প সেশন, ওয়ার্কশপ ও অন্যান্য আরও কার্যক্রমে বিশেষজ্ঞ ও বাংলালিংকের কর্মকর্তাদের দ্বারা প্রশিক্ষণের সুযোগ পায়।

প্রায় নয় হাজার প্রতিযোগী ইনোভেটর্স মাইক্রোসাইট থেকে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। ট্রেইট-ডিটারমাইনিং ন্যাক গেমসের ভিত্তিতে তাদের মধ্যে থেকে সেরা ১০০ প্রতিযোগী বাছাই করা হয়। পরবর্তীতে একদিনব্যাপী আইডিয়েশন অ্যান্ড প্রেজেন্টেশন সেশনের মাধ্যমে বাছাই করা হয় সেরা ৪০ জনকে। এই প্রতিযোগীরা বাস্তব জীবনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের পরিকল্পনা প্রদর্শন করে।

পরিকল্পনাগুলোর উদ্ভাবনী বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে নির্বাচন করা হয় সেরা পাঁচ জনকে। যারা ফাইনালে তাদের ডিজিটাল পরিকল্পনা উপস্থাপনের সুযোগ পায়। প্রতিটি পর্যায়ে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে টিম গ্রিনোভেশন, টিম লোকোমোটিভস ও টিম ডাইভার্সিটি যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করে।

সেরা তিনটি টিম রিসাইকেলার্ন, আস্থা ফিল্টার ও প্রোজেক্ট ইয়েলো নামক তিনটি প্রোজেক্ট উপস্থাপন করে। প্রোজেক্ট তিনটির বিষয়বস্তু হলো— ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বর্জ্য নিষ্কাশনে উৎসাহ প্রদান, আইওটি ম্যাট্রিক্সের সাহায্যে নিরাপদ পানীয় জল নিশ্চিতকরণ ও বর্জ্য পানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন।

বিজয়ী দল অ্যামেস্টারডমে অবস্থিত বাংলালিংকের স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান ভিওনের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনসহ পাবে বাংলালিংকের ‘স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসিস্টেন্ট প্রোগ্রামের’- অ্যাসেসমেন্ট সেন্টারে যোগদানের সুযোগ। সেরা তিনটি দল পাবে বাংলালিংকের ‘স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসিস্টেন্ট প্রোগ্রামের’ অ্যাসেসমেন্ট সেন্টারে যোগদানের সুযোগসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার। এছাড়া সেরা পাঁচ দলের প্রত্যেক সদস্য বাংলালিংকের অ্যাডভান্সড ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামে (এআইপি) সরাসরি যোগদান করতে পারবে।

বাংলালিংকের সিইও এরিক অস বলেন, ‘প্রতিভাবান এই তরুণদের আগ্রহ ও উদ্যম দেখে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি, আগামী দিনের ডিজিটাল দুনিয়ায় বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার সামর্থ্য রয়েছে তাদের। দেশের অন্যতম প্রধান ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলালিংক কিছু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে যেগুলো তরুণদেরকে তাদের স্বপ্নপূরণে সাহায্য করবে।’

এরিক অস আরও বলেন, ‘আমি আশা করছি, আমাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সুযোগগুলি উপযুক্তভাবে কাজে লাগিয়ে বিজয়ীরা নিজেদেরকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সফল পেশাজীবী হিসেবেও প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ হবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন— বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এরিক অস, চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফিসার মনজুলা মোরশেদ ও প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।