ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৬

ইন্টারনেটের দাম কমাতে ভর্তুকি দেবে সরকার

https://www.jugantor.com/todays-paper/it-world/154700/ইন্টারনেটের-দাম-কমাতে-ভর্তুকি-দেবে-সরকার
BY  সাইফ আহমাদ ১৪ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
ইন্টারনেট সেবায় দেশের সব এলাকার জন্য একই দাম ‘এক দেশ এক রেট’ ব্যবস্থা চালু করা হবে। এ খাতের গুণগত মান নিশ্চিত করতে কোথাও ভর্তুকি দেয়ার প্রয়োজন পড়লে সরকার তা দেবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মঙ্গলবার ১২ মার্চ, রাজধানীর হোটেল লা ভিঞ্চিতে আয়োজিত ‘ডিজিটাল সেবায় ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক : বর্তমান ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ইন্টারনেট ক্রয়ে শহরের মানুষের চেয়ে গ্রামের মানুষকে বেশি টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। টেলিযোগাযোগ সেবার মান বৃদ্ধিতে প্রয়োজনে ভর্তুকি দেয়ার বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করে দেখবে।

সারা দেশে ইন্টারনেট একই মূল্যে করার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এক দেশ এক রেট’ করতে হবে। কোনো জায়গায় ভর্তুকি দিতে হলে দেব। ছেলেমেয়েরা ভর্তুকি পেয়ে যদি এগিয়ে যায় তাহলে সে জায়গায় অবশ্যই আমরা যাব। ইন্টারনেট সেবায় শুধু অপারেটরদের নয়, এনটিটিএনদেরও ধরতে হবে। যেটুকু অপারেটর ও এনটিটিএনদের ক্ষমতায় আছে, তা জনগণকে সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করতে হবে। কোনো রকমের অজুহাত দেয়া যাবে না।’

সরকারের সর্বশেষ নির্বাচনী ইশতেহারে ‘গ্রাম হবে শহর’ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘গ্রাম শহর হওয়ার মানে হচ্ছে ডিজিটাল গ্রাম হবে, শহরের সুযোগ-সুবিধা গ্রামে হবে। যে ইন্টারনেট স্পিড শহরে হবে তা গ্রামেও করতে হবে। শহরের বাইরে কেন বাড়তি পয়সা দিতে হবে, সেটা গ্রহণযোগ্য না। ট্রান্সমিশন কোম্পানি এনটিটিএনদের জন্য খরচ বাড়ছে, এই খরচ যেন গ্রাহকের ওপর না পড়ে, সেটা সরকার দেবে না কী হবে তা ঠিক করতে হবে।’

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বর্তমানে আমরা এক হাজার ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করি। ২০০৮ সালে দেশে ৮ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করা হতো।’

২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে যে কোনোভাবেই ফাইভজিতে যাওয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তিতে পিছিয়ে যাওয়ার রিস্ক আমরা নিতে পারি না। যে বিজনেস প্ল্যান নিয়ে আপনারা এগিয়েছেন, সে বিজনেস প্ল্যান আগামী ১০ বছর থাকবে না। ফাইভজি অনেক পরিবর্তন আনবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়গুলোতে পরিবর্তন আসবে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক, ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি এম এ হাকিম, গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও ইয়াসির আজমান, অ্যামটবের সাবেক সেক্রেটারি টিআইএম নুরুল কবির, ফাইবার অ্যাট হোমের চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী।