ঢাকা, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ: আতিউর রহমান

https://www.jugantor.com/todays-paper/last-page/242309/মোবাইল-ব্যাংকিংয়ে-অনন্য-দৃষ্টান্ত-স্থাপন-করেছে-বাংলাদেশ-আতিউর-রহমান
BY  যুগান্তর রিপোর্ট ১০ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান বলেছেন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে রাজধানী থেকে গ্রামাঞ্চলে প্রতিদিন ১৩ কোটি টাকা স্থানান্তর হচ্ছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায় গ্রামাঞ্চলে লেনদেনের ক্ষেত্রে মোবাইল ব্যাংকিং বিপ্লব এনেছে। অন্য কোনো দেশে এমন লেনদেন হয় না। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। শনিবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বিজনেস, ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনারশিপ (আইসিবিএমই-২০১৯)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আতিউর রহমান।

বাংলাদেশ ডিজিটালাইজেশনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে আতিউর রহমান আরও বলেন, শহর ও গ্রামের ৬৮ শতাংশ মানুষ এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করছে। সব কিছুই ডিজিটাল হচ্ছে। গ্রামের মানুষও ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। মোবাইল ফাইন্যান্স সার্ভিসগুলো ইন্টারনেটের আওতায় এসেছে। আইসিটি খাতে এরই মধ্যে বিপুলসংখ্যক তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন উদ্ভাবনী আইডিয়ার মাধ্যমে তারা ব্যবসা করছে।

কনফারেন্সে ডিআইইউর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব আইসিটি এখন দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। বাংলাদেশ, ভারত ও চীনের জন্য এ খাত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম তিনটি শিল্পবিপ্লবই ইউরোপ-আমেরিকায় ঘটেছে। তখন তারাই পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করত। কিন্তু এখন কোনো সাম্রাজ্যবাদী সুপার পাওয়ার নেই। ব্যবসা ও উন্নয়নের অবাধ স্বাধীনতা রয়েছে। অর্থনৈতিক সব সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বলেন, নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য আইসিটি মন্ত্রণালয় অনেক সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে নতুন নতুন আইডিয়াকে সরকার ব্যাপক উৎসাহিত করছে। কনফারেন্সে ‘লিডিং উইমেন এন্ট্রাপ্রেনারশিপ অ্যান্ড এডুকেশননিস্ট’ বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাসুদা এম রশীদ চৌধুরী। এছাড়া ‘ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনারশিপ’ বিষয়ে আলোচনা করেন ভারতের এমটিসি গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. ভোলানাথ দত্ত। কনফারেন্সে বক্তব্য দেন ডিআইইউর ভিসি অধ্যাপক ড. কেএম. মোহসীন, ভারতের শিক্ষা ও অনুসন্ধান ইউনিভার্সিটির সাবেক ভিসি ড. আরপি মোহন্ত প্রমুখ।