ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৭
BYঅনলাইন ডেস্ক
১২ জুন ২০১৯, ২০:১০

রাইড শেয়ারিং কোম্পানি উবার জানিয়েছে, উড়ন্ত গাড়িতে যাত্রী সেবা দেওয়ার জন্য প্রথম আন্তর্জাতিক পরীক্ষামূলক স্থান হিসেবে তারা বেছে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মেলবোর্নকে।

যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক এই কোম্পানিটি এর আগে আন্তর্জাতিক পরীক্ষামূলক সাইট হিসেবে দুবাইকে বেছে নিয়েছিল। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই শহরে উড়ুক্কু গাড়ির পরীক্ষামূলক সেবা চালু করতে নানা কারণে দেরি হচ্ছিল। তাই উবার দুবাইয়ের পরিবর্তে মেলবোর্নকে বেছে নিয়েছে।

গণমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানায়, মঙ্গলবার এক ইমেইল বিবৃতির মাধ্যমে উবার জানিয়েছে তারা আগামী ২০২৩ সালেই বাণিজ্যিক ভাবে উড়ন্ত গাড়িতে যাত্রী পরিবহন সেবা দিতে চায়। আর তাই এর আগে ২০২০ সাল থেকে এই সেবা পরীক্ষামূলক ভাবে চালু করবে। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস ও লস অ্যাঞ্জেলেসে এ সেবা চালু করা হবে। এর বাইরে আন্তর্জাতিক পরিসরে পরীক্ষা চালানোর জন্য মেলবোর্নকে বাছায় করা হয়েছে।

ওই বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও উত্তর এশিয়ার দায়িত্বে থাকা উবারের আঞ্চলিক মহাব্যবস্থাপক সুসান অ্যান্ডারসন বলেন, ভবিষ্যতের পরিবহন প্রযুক্তি ও রাইড শেয়ারিং সেবায় অস্ট্রেলিয়ার সরকার উদার দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছে।

সুসান বলেন, সরকারের এই দৃষ্টি ভঙ্গি এবং একই সঙ্গে জনসংখ্যা, ভূ-প্রকৃতি ও প্রযুক্তির উদ্ভাবনের সংস্কৃতির কারণে মেলবোর্নকে উবার এয়ারের তৃতীয় পরীক্ষামূলক স্থান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষামূলক এই সেবায় মেলবোর্নের ওয়েস্টফিল্ডের সাতটি শপিং সেন্টার থেকে যাত্রীদের শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা-নেওয়া করা হবে। শপিং সেন্টার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এই পথের দূরত্ব ১৯ কিলোমিটার। সাধারণ গাড়িতে এই পথ অতিক্রম করতে সময় লাগে ২৫ মিনিট। তবে উবার এয়ার সেবায় আশা করা হচ্ছে মাত্র ১০ মিনিটে এই পথ অতিক্রম করা যাবে।

বিদ্যুৎ চালিত এই উড়ন্ত ট্যাক্সিগুলো উবারের অন্যান্য পরিবহন সেবার মতোই স্মার্টফোন দিয়ে অ্যাপের সাহায্যই গ্রাহকেরা ব্যবহার করতে পারবেন। উবার উড়ন্ত গাড়ির সেবার জন্য বিশেষ ধরনের পরিবহন নকশা করেছে। এটা বিদ্যুৎ শক্তিচালিত এক প্রকারের বাহন হবে যার অংশবিশেষ হবে হেলিকপ্টার, অংশবিশেষ হবে চালকবিহীন বিমানের মতো এবং ডানাযুক্ত বিমানের মতো।