ঢাকা, রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৮, ৯ বৈশাখ ১৪২৫

পরিবারকে স্বাস্থ্যকর খাবারে অভ্যস্ত করে তুলুন

http://deho.tv//পরিবারকে-স্বাস্থ্যকর-খাব/
BYBy deho.tv
এপ্রিল ১৫, ২০১৮
People Also Read
সংসারে শান্তি বজায় রেখে সুখী হওয়ার কয়েকটা টিপসগোসলের যেসব ভুলে ত্বকের ক্ষতিযেসব অভ্যাসে চুলের ক্ষতি হয়কেন হাত দিয়ে খাবেন?পাবলিক টয়লেট ব্যবহারে মাথায় রাখুনপকেটে মোবাইল রাখলেই ‘সর্বনাশ’ Your RatingUser Rating: 0 ( 0 votes ) পরিবারের যে গৃহিনী সে জানে প্রতিদিন খাবারের মেন্যু ঠিক করতে গিয়ে কতটা হিমসিম খেতে হয়। তাকে বাজেটের মধ্যে থেকে সবাইকে খুশি করতে হয়। তার সঙ্গে খাবারের পুষ্টিগুন নিয়েও সচেতন থাকতে হয়। আর তাই সু-স্বাস্থ্য জীবনযাপনের জন্য কতগুলো টিপস দেওয়া হল-১. শিশুদের খাবারের প্রতি উৎসাহ যোগান আপনি যখন বাজার করেন পারলে বাচ্চাকেও সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন। এতে সে শাক-সবজির নাম, কোনটা দেখতে কেমন শিশুটি জানতে পারে। তার সঙ্গে যদি তাকে জানাতে পারেন কোন সবজির পুষ্টি গুন কি আছে তখন সেই শাক-সবজির খাওয়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে।২. আশঁযুক্ত খাবার বেছে নিন আশঁযুক্ত খাবার আমাদের শরীরের জন্য উপকারী সেইটা আমরা সবাই জানি। তাই লাল আটা ও লাল চাল যদি আপনি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলেন তাহলে ছোট-বড় সবার স্বাস্থের জন্যই উপকারী। তাছাড়া ব্রাউন ব্রেড, হোল গ্রেইন সেরিয়াল ও ওটস খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন।advertisement ৩. উপকারী ফ্যাট গ্রহন করুন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খাবারে ফ্যাট বা তেলের গুরুত্ব অনেক। কারণ এই খারাপ ফ্যাট জাতীয় খাবার থেকেই নানা ধরনের অসুস্থতা তৈরী হয়। আর প্রানিজ ফ্যাট বা সলিড ফ্যাট না খেয়ে সেখানে তরল জাতীয় ভেজিটেবল তেল ব্যবহার করতে পারেন, যেমন অলিভ অয়েল, কনোলা, সানফ্লাওয়ার, তিলের তেল ইত্যাদি।৪. নিজেকে আগে রুল মডেল তৈরী করুন আপনার শিশুর আগামীদিনের কথা ভেবে প্রথমে নিজেকে পরিবার ও শিশুর কাছে সুস্থ্য জীবনের জন্য রোল মডেল হয়ে উঠুন। এতে সবাই উপকৃত হবেন। পুরো পরিবারকেই সুন্দর জীবন-যাপনের অভ্যস্ত করতে বিশেষ করে শিশুকে জীবনের শুরুতেই সেই অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৫. ভাল প্রোটিন গ্রহণ করুন আমরা মাছে-ভাতে বাঙ্গালি। তবে বর্তমানে শিশুরা কিছুতেই মাছ খেতে চায় না। তাই পুরো পরিবার যাতে ঠিকমত প্রোটিন পায় সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে। অবশ্যই চামড়া ছাড়া মুরগি খাবেন, রেড মিট যতটা সম্ভব কম খাবেন এবং নিয়মিত নানাপদের ডাল খেতে পারেন।৬. খাবারের পুষ্টিগুন সম্পর্কে আরও জেনে নিন খাবারের পুষ্টিগুন সম্পর্কে জানতে প্রয়োজনে আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন। কারন কোন কোন খাবারে বেশি সোডিয়াম, চিনি বেশি আছে সেইটা আপনার জানতে হবে নাহলে এত শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তেমনি ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ সুসম খাবার পরিবারের জন্য বাছাই করুন।৭. প্রক্রিয়াজাত খাবার থেকে বিরত থাকুন আমারা সবাই জানি প্রক্রিয়াজাত খাবারে কতটা লবন অথাৎ সোডিয়ামের মাত্রা অনেক থাকে। তাই এইসব খাবার না খেয়ে তাজা ফল বা ঘরে বানানো খাবার পরিবেশন করুন।৮. স্বাস্থ্যকর উপায়ে রান্না করুন সবজি বা মাছ মাংস সঠিক সময় নিয়ে রান্না করুন। এত খাবারের স্বাদ যেমন ঠিক থাকবে তেমনি খাবারের রং ও সুন্দর থাকবে যা দেখে আপনার শিশু খাবার খেতে উৎসাহী হয়ে উঠবে।৯. প্রথাগত মিষ্টি খাবার কমিয়ে আনুন প্রচলিতভাবে আমাদের সমাজে যেসব মিষ্টি খাবার তৈরী হয় তাতে অনেক বেশি চিনি বা গুড় ব্যবহার হয়। এক্ষেত্রে আপনি বিশেষ দিন ছাড়া বেশি চিনি জাতীয় খাবার পরিবারের জন্য তৈরী করবেন না্। আর তাই শিশুদের জন্য ফল-দই মিশিয়ে নানা ধরনের স্মুদি দিলে তারা খুশি হবে, তাছাড়া এইধরনের খাবার স্বাস্থ্যকরও বটে।১০. রংধনুর রঙ্গে খাবার সাজিয়ে তুলুন রংধনুর যেমন সাতটি রঙ তেমনি আপনার খাবার নির্বাচনে যেন ভিন্নতা থাকে, কোন একঘেয়েমি না আসে। পরিবারের প্রতিটা সদস্য যেন প্রতিদিন খাবার গ্রহণে যেমন মজা ও আনন্দ পায়।

Share this:

advertisement