ঢাকা, শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১ পৌষ ১৪২৬
BY  ক্রীড়া প্রতিবেদক ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:৩৫ | আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:৪৮ | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে (বিকেএসপি) অনুষ্ঠিত একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫১ রানে হারিয়েছে মাশরাফির বাংলাদেশ। এই ম্যাচে দলের হয়ে দুর্দান্ত খেলেছেন তামিম ইকবাল খান ও সৌম্য সরকার। ইনজুরি থেকে ফিরে তামিম পেয়েছেন সেঞ্চুরি। তার সঙ্গে ব্যাট করতে নেমে সৌম্যও পেয়েছেন সেঞ্চুরি। দুজনের ব্যাটিং ঝড়ে পুরোদমে উড়ে গেছে ক্যারিবীয়ানরা।

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সৌম্য। জানিয়েছেন দুজনের ঝড়ো ইনিংসের নেপথ্য কাহিনী। বিশেষ করে নিজের সেঞ্চুরির পেছনে যে ঘটনা রয়েছে তা জানিয়েছেন এই বাহাতি ব্যাটার। বলেছেন, ক্রিজে তামিমের একটা কথাতেই নাকি মাথা খুলেছে তার!

তো! কী এমন কথা বলেছেন হাতের ইনজুরি থেকে মাঠে ফেরা তামিম? সৌম্য বলেন,‘একটা ভুল শট খেলেছি। এর মধ্যে উনি সেটার কথা বলেছেন, তখন আরও মাথা খুলেছে। উইকেটের মধ্যে কিছু কিছু কথাও আসলে অনেক হেল্পফুল। আমারও উচিৎ ছিল পরিস্থিতি বোঝা।’

সৌম্য আরও বলেন, ‘রান অনেক আসছিলো। প্রথম দশ ওভারে অনেক রান ছিলো। প্রায় ৮০-৯০ এর মতো রান ছিলো। সেই অনুসারেই খেলছিলাম যে ইনিংসটি বড় করি। আর শেষের দিকে গিয়ে মনে হয়েছিল, আমি যদি উইকেটে থাকি তাহলে অবশ্যই ম্যাচটি জিতবো। সুতরাং ঐ আত্মবিশ্বাসটি নিয়েই শেষ পর্যন্ত থাকার চেষ্টা।’

রোচ-থমাসদের বোলিংকে তুলোধুনো করে ৮৩ বলে ১০৩ রান করে অপরাজিত থাকেন সৌম্য সরকার। তার ঝকঝকে ইনিংসটি সাজানো ছিল ৬টি ছয় ও ৭টি চারের মারে। যদিও আলোক স্বল্পতার কারণে খেলা শেষ হওয়ায় জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি। তবে ডার্ক ওয়ার্থ লুইস মেথডে বাংলাদেশ জিতে যায় ৫১ রানে।

উইন্ডিজদের বিপক্ষে সিরিজে এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখা সম্ভব কিনা এমন প্রশ্নে সৌম্য বলেন, ‘অবশ্যই। তামিম ভাই যেভাবে ইনজুরি থেকে ফিরে ব্যাটিং করছিলো মনে হচ্ছিলো না উনি বাইরে ছিলেন। ওনার আত্মবিশ্বাস দেখে নন স্ট্রাইক থেকে আমারও মনে হয়েছিল, যেহেতু উনি ভালো করছেন আমি যদি ওনাকে সাপোর্ট দিয়ে যেতে পারি, তাহলে আরও সহজ হবে রান করা। কারণ, দুই সাইড থেকে যদি রান আসতে থাকে তাহলে অনেক এগোতে থাকে। আমি সেটাই চেষ্টা করেছি ওনাকে সাপোর্ট দিয়ে যাওয়ার।’

আগামী ৯ তারিখ শুরু হবে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ। সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১১ ও ১৪ তারিখ। প্রথম দুটি ম্যাচ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে।