ঢাকা, বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৭

সুপার ওভারের উত্তেজনায় চট্টগ্রামের জয়

http://www.dhakatimes24.com/2019/01/12/109043/সুপার-ওভারের-উত্তেজনায়-চট্টগ্রামের-জয়
BYক্রীড়া প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস

বিপিএলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সুপার ওভার হলো শনিবার। এই সুপার ওভারের উত্তেজনায় খুলনা টাইটান্সকে হারাল চিটাগং ভাইকিংস। সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এক উইকেটে ১১ রান করে চিটাগং। পরে খুলনা ব্যাটিংয়ে নেমে এক উইকেটে ১০ রান করতে সক্ষম হয়। ফলে সুপার ওভারে এক রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মুশফিকুর রহিমের দল। তিন ম্যাচ খেলে মুশফিকদের এটি দ্বিতীয় জয়। আর চার ম্যাচ খেলে খুলনার এটি চতুর্থ হার।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে শনিবার মিরপুরে মুখোমুখি হয় চিটাগং ভাইকিংস ও খুলনা টাইটান্স। ম্যাচটিতে খুলনা টাইটান্সের দেয়া ১৫২ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫১ রান করে চিটাগং ভাইকিংস। দলের পক্ষে ৩৪ বলে ৪১ রান করেন ইয়াসির আলী। ২৬ বলে ৩৪ রান করেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ১৩ বলে ২৩ রান করেন রব্বি ফ্রাইলিঙ্ক। খুলনা টাইটান্সের পক্ষে জুনায়েদ খান ১টি, কার্লোস ব্র্যাথওয়েট ২টি, শরিফুল ইসলাম ২টি, তাইজুল ইসলাম ১টি ও আরিফুল হক ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

জয়ের জন্য শেষ ওভারে চিটাগংয়ের প্রয়োজন ছিল ১৯ রান। এসময় তাদের হাতে ছিল চার উইকেট। উইকেটে ছিলেন রব্বি ফ্রাইলিঙ্ক ও নাঈম হাসান। বোলিংয়ে ছিলেন আরিফুল হক। ওভারের প্রথম বলটি ডট হয়। দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকান নাঈম। তৃতীয় বলে নাঈম আউট হয়ে যান। চতুর্থ ও পঞ্চম বলে ছক্কা হাঁকান ফ্রাইলিঙ্ক। শেষ বলটি ডট হয়। যার ফলে ম্যাচটি গড়ায় সুপার ওভারে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫১ রান সংগ্রহ করে খুলনা টাইটান্স। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন ডেভিড মালান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। অন্যদের মধ্যে ১৫ বলে ২০ রান করেন ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিক। অপর ওপেনার পল স্টার্লিং ১০ বলে করেন ১৮ রান। ৫ বলে ১২ রান করেন কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। চিটাগং ভাইকিংসের পক্ষে সানজামুল ইসলাম ২টি, রব্বি ফ্রাইলিঙ্ক ১টি, নাঈম হাসান ১টি, খালেদ আহমেদ ১টি ও আবু জায়েদ রাহি ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

খুলনা ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৩১ রানে প্রথম উইকেট হারায়। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে নাঈম হাসানের বলে রাহির হাতে ক্যাচ হন পল স্টার্লিং। ষষ্ঠ ওভারে ফ্রাইলিঙ্কের বলে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের হাতে ধরা পড়ের জুনায়েদ সিদ্দিক। এরপর ৭৭ রানের জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও ডেভিড মালান।

ইনিংসের ১৭তম ওভারে সিকান্দার রাজার হাতে ক্যাচ বানিয়ে মালানকে ফেরান রাহি। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে ব্র্যাথওয়েটকে ও দ্বিতীয় বলে রিয়াদকে ফেরান সানজামুল। ১৯তম ওভারে সৈয়দ খালেদ আহমেদের বলে সিকান্দার রাজার হাতে ধরা পড়ের নাজমুল হোসেন শান্ত। ম্যাচ সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পান চিটাগং ভাইকিংসের রব্বি ফ্রাইলিঙ্ক।

(ঢাকাটাইমস/১২ জানুয়ারি/এসইউএল)