ঢাকা, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯, ৯ চৈত্র ১৪২৬
BYক্রীড়া প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস

বিপিএলে চরম উত্তেজনাকর একটি ম্যাচ উপভোগ করল ভক্তরা। শনিবার দিনের প্রথম ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। তাতে খুলনা টাইটান্সকে এক রানে হারায় চিটাগং ভাইকিংস। বিপিএলে এর আগে কখনো সুপার ওভার হয়নি। এবারের বিপিএলে এখন পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি খুলনা টাইটান্স। চার ম্যাচ খেলে চারটিতেই হেরেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।

পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা টাইটান্সের আসরে টিকে থাকতে হলে বাকি আটটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই তাদের জয় পেতে হবে। তবে আট ম্যাচে জেতার চিন্তা এখনই করছেন না দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ম্যাচ বাই ম্যাচ ধরে এগোতে চান তিনি। আপাতত তার লক্ষ্য জয়ে ফেরা। একটি ম্যাচ জিতেই দলের অবস্থার পরিবর্তন করতে চান অধিনায়ক।

শনিবার হারের পর সংবাদ সম্মেলনে পুরো টুনামেন্টটি খুলনার জন্য কঠিন হয়ে গেল বলে উল্লেখ করেন মাহমুদউল্লাহ। দলের প্রতি তার মেসেজ বাকি আট ম্যাচে জয়ের চিন্তা না করে ম্যাচ বাই ম্যাচের কথা চিন্তা করা। তার কথায়, ‘এখন টুর্নামেন্টটি আমাদের জন্য কঠিন হয়ে গেল। বাকি আট ম্যাচের মধ্যে আমাদের ৫ থেকে ৬টা ম্যাচ জিততেই হবে। এটা অনেক কঠিন। তারপরও এটা ক্রিকেট খেলা। দলের প্রতি আমার মেসেজ থাকবে টুর্নামেন্টে বাকি ৮টা ম্যাচের কথা চিন্তা না করার জন্য। আমাদের একটা একটা করে ম্যাচের কথা চিন্তা করে খেলতে হবে। একটা জয় আমাদের দলকে অনুপ্রাণিত করবে। আমরা যেভাবে খেলছি তার চেয়ে আরও অনেক ভালো দল আমরা। কিন্তু আমরা আশানুরূপ পারফরম্যান্স করতে পারছি না। এটা হাতাশাজনক।’

জাতীয় দলে ডেথ ওভারগুলোর চাপ বেশ কয়েকবারেই নিতে দেখা গিয়েছে মাহমুদইল্লাহ রিয়াদকে। শুধু বোলিং নয়, ব্যাটিংয়েও চরম চাপের মুখে পড়া বাংলাদেশের ভরসার মুখ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শনিবারের ম্যাচটিতে মাহমুদউল্লাহ নিজে না এসে শেষ ওভারে পাঠান আরিফুল হককে। দলের ওই অবস্থায় আরিফুলকে ডেথ ওভারে পাঠানোর কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘আমার মনে হয়, ওই সময় অফস্পিনটা এটকু কঠিন হতো। শেষ ওভারে ১৯ রান, আমি ভাবলাম আরিফ ভালো অপশন। ও হয়তো ওয়াইড ইয়র্কার করবে! কিন্তু হয়নি দুর্ভাগবশত সেটা আর হলো না।’

তাছাড়া সুপার ওভারেও দেশি কোনো ক্রিকেটারের উপর আস্থা না রেখে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই বিদেশি ক্রিকেটারদের পাঠানো হয়েছে। এক্ষেত্রে দেশি খেলোয়াড়দের নিয়ে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ছিল কিনা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর? জবাবে তিনি জানান, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে স্টার্লিং অফসাইডে খুব ভালো, মালানও শক্তিশালী। আমরা সবাই ব্র্যাথওয়েটের ব্যাপারে জানি। সবকিছু মিলিয়ে তাদের নির্বাচন করা হয়েছে। তিন নম্বরে আমিও যেতে পারতাম। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে স্টার্লিং বেশি ভালো। এই কারণে এই তিন অপশনে আমরা গিয়েছিলাম।’

(ঢাকাটাইমস/১২ জানুয়ারি/এইচএ)