ঢাকা, বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৭
BY  স্পোর্টস ডেস্ক ১২ জানুয়ারি ২০১৯, ১৬:৪৬ | অনলাইন সংস্করণ
জয়ের জন্য এখন চিটাগং ভাইকিংসের দরকার ৩০ বলে ৫২ রান। হাতে আছে ৬উইকেট। স্বাভাবিকভাবেই জয়ের আশা রয়েছে দলটির। তবে মূল ব্যাটসম্যানরা প্যাভিলিয়নে ফেরায় স্বপ্ন দেখছেন খুলনা টাইটানসও। আর দুটি উইকেট দ্রুত তুলে নিতে পারলে জিততে পারে মাহমুদউল্লাহরা। সব মিলিয়ে জমে গেছে দুদলের লড়াই।

জবাবে শুরুতেই হোঁচট খায় চিটাগং। জুনায়েদ খানের শিকার হয়ে ফেরেন হার্ডহিটার মোহাম্মদ শাহজাদ। দ্বিতীয় উইকেটে ইয়াসির আলিকে নিয়ে প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠেন ক্যামেরন ডেলপোর্ট। ভালোই খেলছিলেন তারা। তবে হঠাৎ হার মানেন তিনি। তাইজুল ইসালের বলে ব্র্যাথওয়েটকে ক্যাচ প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন বাঁহাতি।

পরে মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে খেলা তৈরির চেষ্টা করেন ইয়াসির আলি। যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থনও পান। তাতে বন্দরনগরীর দলটির রানের চাকা শ্লথ হয়ে যায়। তা বাড়াতে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে বিদায় নেন ইয়াসির। শরিফুল ইসলামের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ৩৪ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ৪১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন তিনি।

এর আগে টস জিতে খুলনাকে প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান চিটাগং অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। উড়ন্ত সূচনা করেন দুই ওপেনার পল স্টার্লিং ও জুনায়েদ সিদ্দিকী। তবে হঠাৎই খেই হারান স্টার্লিং। নাঈম হাসানের বলে আবু জায়েদকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ওপেনিং সঙ্গী হারানোর পরপরই রবি ফ্রাইলিংকের শিকার হয়ে ব্যক্তিগত ২০ রানে ফেরেন জুনায়েদ সিদ্দিকী।

পরে খেলা ধরেন মাহমুদউল্লাহ ও মালান। প্রথমে ধীর-লয়ে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া তৈরি করেন তারা। দুজনের মধ্যে দারুণ মেলবন্ধন গড়ে উঠলে ছোটান স্ট্রোকের ফুলঝুরি। রীতিমতো চোখ রাঙান এ জুটি। মালানকে ফিরিয়ে সেই চোখ রাঙানি থামান আবু জায়েদ। ফেরার আগে ৪৩ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৪৫ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেন তিনি। তাতে লড়াকু পুঁজির পথেই থাকে খুলনা।

খানিক বাদেই সানজামুল ইসলামের শিকার হয়ে ফেরেন কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। সেই রেশ না কাটতেই তার দ্বিতীয় শিকার হয়ে সাজঘরের পথে ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ফেরার আগে ৩১ বলে ৪ চারে ৩৩ রান করেন অধিনায়ক। এরপর খালেদ আহমেদের বলি হয়ে যাওয়া-আসার মিছিলে যোগ দেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেটে ১৫১ রান তুলতে সক্ষম হয় মাহমুদউল্লাহ বাহিনী।