ঢাকা, বুধবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৮, ১২ বৈশাখ ১৪২৫

দুই গুরুর মুখোমুখি টাইগাররা

https://www.ntvbd.com/sports/176285/দুই-গুরুর-মুখোমুখি-টাইগাররা
BYক্রীড়া প্রতিবেদক
১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ১৭:৫৬

ত্রিদেশীয় সিরিজে স্বাগতিক বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা তাদের দুই প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের অনেক খেলোয়াড়কে নাও চিনতে পারেন। কিন্তু দুই দলের সঙ্গে আসা দু’জনের দিকে তাকিয়ে কিন্তু একবার হাতটা নাড়তে হতে পারে মাশরাফি-সাকিবদের। এই দুজন যে তাদের অনেক দিনের চেনা! তাদের একজন বর্তমান শ্রীলঙ্কার কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে, আরেকজন জিম্বাবুয়ের কোচ হিথ স্ট্রিক।

দু’একদিন নয়, চন্ডিকা হাথুরুসিংহে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন প্রায় চার বছর। তাঁর অধীনে যেমন সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ, তা আর কোনো কোচের সময়ে তা আসেনি।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে এই হাথুরুসিংহের অধীনেই। ঘরের মাঠে ওয়ানডেতে পরাজিত করা গেছে পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মত বড় নামদের। বিদেশের মাটিতে প্রথমবারের মত টেস্ট জয় করা গেছে হাথুরুসিংহের মাতৃভূমিতেই। সর্বশেষ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ হাথুরুর প্রশিক্ষণেই।

এত সাফল্য এনে দিয়েও নানা করণে সমালোচিত হয়েছিলেন। তাই দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন নিজ থেকেই।

বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে হাথুরুর পাট চুকেছে মাস দুয়েক হতে চললো। তিনি নিজ দেশ শ্রীলঙ্কার দায়িত্ব নিয়েই প্রথম সফরে এসেছেন বাংলাদেশেই। মিরপুর শেরেবাংলায় অনুষ্ঠিতব্য ত্রিদেশীয় সিরিজে স্বাগতিক বাংলাদেশ এবং জিম্বাবুয়ের সঙ্গে আরেক প্রতিপক্ষ যে শ্রীলঙ্কা।

মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুস্তাফিজুর রহমান ও রুবেল হোসেনসহ প্রায় সব পেসারদের কাছ থেকে দেখেছেন হিথ স্ট্রিক। তিনি যে বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং কোচ ছিলেন। সে তিনিই এবার বাংলাদেশে আসছেন কোচ তকমা লাগিয়ে। গ্রায়েম ক্রেমারের দলের প্রশিক্ষণের ভারটা তাঁর ওপরই। ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে স্ট্রিক প্রস্তুত তাঁর দল নিয়ে।

হাথুরুসিংহে যখন প্রধান কোচ তখন হিথ স্ট্রিক ছিলেন দলের পেস বোলিং কোচ। দুই সাবেক কোচের সামনে তাই একটু ঘাবড়ে গেলেও যেতে পারেন তামিম ইকবালরা। তাদের শক্তি কিংবা দুর্বলতা দুই জায়গাই তো বড্ড চেনা প্রতিপক্ষ দুই কোচের!

তামিম ইকবাল এবং ইমরুল কায়েস তো বলেছেনও, দুই সাবেক গুরুকে নিয়ে একটুও বিচলিত নন তারা। বরং মাঠের খেলায় ভালো করার দিকেই বেশি মনোযোগী তারা। শক্তি বা দুর্বলতা যতই পরিচিত থাকুক না কেন, যদি মাঠে নেমে প্রতিপক্ষকে আটকে দেওয়া যায় কৌশলে তবে জয়টা যে আসবে টাইগারদের পক্ষেই।