ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
BYস্পোর্টস ডেস্ক
১১ অক্টোবর ২০১৮, ১৯:০৬

আজ বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে চারটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় ম্যাচ। তবে চারটি ম্যাচই ড্র হয়েছে। ড্রয়ের মাঝেও জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা দলের হয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন।

বরিশাল ও খুলনা বিভাগের মধ্যকার ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২২৯ রানে অলআউট হয় বরিশাল। সর্বোচ্চ ৭৪ রান করেন নুরুজ্জামান। পরে খুলনা বিভাগ নিজেদের প্রথম ইনিংসে মোহাম্মদ মিঠুনের ৭২, জিয়াউর রহমানের ১১২ এবং আফিফ হোসেনের ৮১ রানের সুবাদে সাত উইকেটের বিনিময়ে ৩৪৯ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। অবশ্য দ্বিতীয় ইনিংস ব্যাট করার সুযোগ বৃষ্টির কারণে কোনো দলই পায়নি।

চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের মধ্যবর্তী ম্যাচ চট্টগ্রাম বিভাগ ব্যাট করার সময়েই বৃষ্টির কারণে পণ্ড হয়ে যায়। সেই ম্যাচে নয় উইকেট হারিয়ে ২৮২ রান করতে সমর্থ হয় তারা। তবে বৃষ্টির কারণে কোনো দলই মাঠে নামার সুযোগ পায়নি।

ঢাকা বিভাগ ও ঢাকা মেট্রোপলিসের মধ্যকার ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২০৬ রানে সবকটি উইকেট হারায় ঢাকা বিভাগ। জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে এবং সাদমান ইসলামের ১৮৯ রানের সুবাদে ৩৮৭ রান করতে সমর্থ হয় ঢাকা মেট্রোপলিস। অবশ্য শেষ দিনে ঢাকা বিভাগ দুই উইকেট হারিয়ে ৫০ রান করতেই ম্যাচ শেষ হয়।

শেষ ম্যাচে রংপুর প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহীর বোলারদের বোলিং তোপে মাত্র ১৫১ রানে গুটিয়ে যায়। সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন নাইম ইসলাম। জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে নাজমুল হোসেন শান্তর ১৭৩, মিজানুর রহমানের ১৬৫ এবং জুনায়েদ সিদ্দিকের অপরাজিত শতকের সুবাদে চার উইকেটের বিনিময়ে ৫৮৯ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে রাজশাহী। অবশ্য পরের ইনিংসে আর তেমন ধস নামেনি রংপুরের। লিটন দাসের দ্বিশতক এবং মাহমুদুল হাসানের ৭২ রানে ভর করে দুই উইকেট হারিয়ে ৩১৯ রান করে রাজশাহী। ফলে ড্র হয়েছে এই ম্যাচও।