ঢাকা, সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

ট্রাম্প-কিমের যৌথ ঘোষণাপত্রে যা আছে

http://www.dhakatimes24.com/2018/06/12/84736/ট্রাম্প-কিমের-যৌথ-ঘোষণাপত্র-যা-আছে
BYআন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকাটাইমস

সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক বৈঠক শেষে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি যৌথ চুক্তিপত্রে সই করছেন।

সিঙ্গাপুরের সেন্তোসা দ্বীপের ক্যাপেলা হোটেলে ট্রাম্প ও কিমের একান্ত বৈঠক ও পরে দুই পক্ষের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর গুরুত্বপূর্ণ নথিতে সই করার ঘোষণা এল।

নথির ছবি টুইটারে পোস্ট করে এবিসি’র সাংবাদিক কনোর ফিনাগেন লিখেছেন, ‘কোরীয় উপদ্বীপে পরমাণু কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করায় উত্তর কোরিয়া এবং কিম জং উনের নিরাপত্তা গ্যারান্টি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।’

দুই নেতা নথিতে স্বাক্ষর করার পর ট্রাম্প তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, ‘আজকে যা ঘটেছে তার জন্য আমরা খুবই গর্বিত। আমরা উভয়ই কিছু করতে চাই এবং করতে যাচ্ছি।’

ট্রাম্প-কিমের যৌথ ঘোষণার চারটি মূল পয়েন্ট চিহ্নিত করেছেন বিবিসির সাংবাদিক লরা বিকার।

১. দুই দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং উত্তর কোরিয়া নিজেদের মধ্যে নতুন সম্পর্ক গড়ার অঙ্গীকার করেছে।

২. কোরীয় উপদ্বীপে টেকসই এবং স্থিতিশীল শান্তি রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র এবং উত্তর কোরিয়া একসঙ্গে কাজ করবে।

৩. চলতি বছরের ২৭ এপ্রিলের পানমুনজোম ঘোষণা পুনর্নিশ্চিত করে কোরীয় উপদ্বীপকে পুরোপুরি পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করতে উত্তর কোরিয়ার প্রতিশ্রুতি।

৪. ইতিমধ্যেই সনাক্ত করা হয়েছে তা অবিলম্বে পুনর্বাসনের অন্তর্ভুক্ত করাসহ যুক্তরাষ্ট্র এবং উত্তর কোরিয়া পিওএম বা এমআইএ পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করেছে।

যৌথ ঘোষণায়ট্রাম্প বলেছেন, 'পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ কার্যক্রম খুব দ্রুত শুরু হবে।'

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ও উত্তর কোরিয়ার কর্মকর্তাদের মধ্যেখুব তাড়াতাড়ি পরবর্তী আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, রাজনৈতিকবিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকের ফলাফল প্রতীকী। এখানে স্পষ্ট কিছুই নেই।

ওয়াশিংটন ফাউন্ডেশনের জ্যেষ্ঠ ফেলো অ্যান্থনি রুগিয়েরো বলেছেন, পরবর্তী আলোচনায় পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ কার্যক্রম বন্ধের লক্ষ্য অর্জিত হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। এটি ১০ বছরেরও বেশি সময় আগে আমরা যে আলোচনার স্থান ছেড়ে দিয়েছিলাম তার পুনর্বিন্যাসের মতোমনে হচ্ছে। সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটি বড় কোনো পদক্ষেপ নয়।’

দুই নেতার মুখোমুখি বৈঠক ৪০ মিনিটেরও কম সময় স্থায়ী হয়। স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় কিম সিঙ্গাপুর ত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প ও কিমের ব্যক্তিগত বৈঠক মোট ৩৮ মিনিট স্থায়ী হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে দুই নেতাইসেন্তোসা দ্বীপ ছেড়ে যান। দুপুরের মধ্যেইদুই নেতা তাদের নিজ নিজ দেশের উদ্দেশে রওয়ানা হবেন বলে বিবিসি জানিয়েছে।

(ঢাকাটাইমস/১২জুন/এসআই)